লেখার নিয়ম

ইংরেজি বর্ণে বাংলা লিখবেন যেভাবে

ইংরেজি বর্ণে যা যা লেখা যায়, আর তাতে যে বাংলা পাবেন। ইঞ্জিন থেকে তুলে আনা ১৭৬টি জোড়া।

১৭৬টির মধ্যে ১৭৬টি

তালিকার প্রতিটি জোড়া ইঞ্জিন থেকেই তুলে আনা, তাই এখানে যা দেখছেন লিখলে তা-ই পাবেন। কেন এভাবে বানানো হয়েছে আছে পরিচিতির পাতায়।

  • ছোট হাতের অক্ষর হ্রস্ব, বড় হাতের দীর্ঘ

    i
    I
  • পাশাপাশি ব্যঞ্জন জুড়ে যায়

    kt
    ক্ত
    kk
    ক্ক
  • আলাদা রাখে o

    kok
    কক
    amora
    আমরা

এই নয়টা দিয়ে শুরু

এগুলো লিখতে পারলে আপনি বাংলা লিখতে পারেন। পাতার বাকিটা খুঁটিনাটি, যেদিন দরকার পড়বে সেদিন দেখে নেবেন।

লিখুন পাবেন টীকা
আমি শেষের ছোট হাতের i দেয় ই-কার
তুমি ছোট হাতের t দন্ত্য ত, বড় হাতের T হতো মূর্ধন্য ট
বাংলা ng মানে অনুস্বার ং
ভাষা Sh মানে ষ, sh মানে শ
বই ছোট হাতের oi মানে ঐ নয়, এখানে ব আর ই
ভাত bh মানে ভ, v লিখলেও হয়
ভালোবাসা বড় হাতের O দেয় ও-কার, তাই bhalO থেকে ভালো
ধন্যবাদ ny জুড়ে হয় ন্য
ভাষা হোক আরও উন্মুক্ত arO দিলে আসে আরো; আরও চাই বলেই aroO

যেগুলোতে মানুষ হোঁচট খায়

এগুলোর প্রতিটাই শুদ্ধ বাংলা দেয়, মুশকিলটা সেখানেই। কিছু ভুল হয়নি বলে ধরিয়ে দেওয়ার মতোও কিছু নেই; আপনি শুধু যেটা চেয়েছিলেন তার বদলে অন্য একটা অক্ষর হাতে পেয়েছেন।

oi আর OI এক নয়। ছোট হাতের boi দেয় বই, বড় হাতের bOI দেয় বৈ। দুটোই আসল শব্দ, তাই ইঞ্জিন আপনার হয়ে বেছে নিতে পারে না।

লিখুন পাবেন টীকা
বির ছোট হাতের i হ্রস্ব
বীর বড় হাতের I দীর্ঘ
যয় o-তে z শেষ, তাই y আলাদা য়
আয় ছোট হাতের ay মানে আ আর য়
বৈ বড় হাতের OI দেয় ঐ-কার; ছোট হাতের boi ছিল ব আর ই
রয়া র য-ফলা নেয় না, তাই র আর য়া
আআ জোড়া স্বর দীর্ঘ স্বরের সংক্ষেপ নয়
কাআ যা লেখা হয় ঠিক তা-ই বসে
তীয় iyw মানে দীর্ঘ ঈ-কার, পিছনে য়
জাতীয়তা শব্দের মাঝেও iyw একইভাবে বসে

একা বসা স্বরবর্ণ

শব্দের শুরুতে, কিংবা একা দাঁড়ালে, স্বরবর্ণ এই চেহারাগুলো নেয়।

a আর A একই অক্ষর দেয়, e আর E-ও। ওখানে বড় হাতের অক্ষরের আলাদা কোনো কাজ নেই; মানুষ ওভাবে লেখে বলেই নেওয়া হয়। বড় হাতের অক্ষরের নিজের মানে আছে i/I, u/U, o/O-তে, আর দুই বর্ণের OIOU-তে।

লিখুন পাবেন টীকা
ভেতরের স্বরটাই, আলাদা করে লেখা
বড় হাতের A-ও একই
ছোট হাতের a-র মতোই
হ্রস্ব ই
দীর্ঘ ঈ; বড় হাতের অক্ষর মানে দীর্ঘ স্বর
হ্রস্ব উ
দীর্ঘ ঊ
বড় হাতের E-ও একই
ছোট হাতের e-র মতোই
বড় হাতের O আর বড় হাতের I
দীর্ঘ ও
বড় হাতের O আর বড় হাতের U
একটাই সংকেত, আলাদা করে r, r আর i নয়
অ্যা অ্যা; AY লিখলেও একই
অ্যা aY-এর বড় হাতের রূপ

কার, অর্থাৎ ব্যঞ্জনের সঙ্গে স্বর

সেই স্বরগুলোই, এবার জোড়া লেগে। তালিকায় ক-কে ধরে দেখানো হয়েছে; সব ব্যঞ্জনেই নিয়ম এক।

ব্যঞ্জন একা লিখলেই তার ভেতরের অ সঙ্গে থাকে। ওই অ পেতে আলাদা করে কিছু লিখতে হয় না। বরং ওটা সরাতে হলেই কিছু একটা লিখতে হয়।

লিখুন পাবেন টীকা
ব্যঞ্জন একা লিখলেই ভেতরের অ সঙ্গে থাকে
কা আ-কার
কি ই-কার
কী ঈ-কার
কু উ-কার
কূ ঊ-কার
কে এ-কার
কৈ ঐ-কার
কো ও-কার
কৌ ঔ-কার
কৃ ঋ-কার
ক্যা য-ফলার সঙ্গে আ-কার; kAY লিখলেও একই

ব্যঞ্জনবর্ণ

বাংলা যেভাবে সাজায় সেভাবেই সাজানো, যাতে ধরনটা চোখে পড়ে: অল্পপ্রাণ, মহাপ্রাণ, আর প্রতি বর্গের শেষে নাসিক্য।

ছোট হাতের অক্ষর দন্ত্য বা তালব্য, বড় হাতের মূর্ধন্য। সঙ্গে h দিলে মহাপ্রাণ, তাই k ক আর kh খ।

দুটো বর্ণের দুই কাজ। একা থাকলে y হলো য়, ব্যঞ্জনের পরে বসলে য-ফলা। একা থাকলে w হলো ওয়, ব্যঞ্জনের পরে ব-ফলা। দুটোরই নিজের ভাগ আছে নিচে।

লিখুন পাবেন টীকা
ব্যঞ্জন একা লিখলেই ভেতরের অ সঙ্গে থাকে
Kh আর KH-ও চলে
Gh আর GH-ও চলে
বড় হাতের N-এর সঙ্গে ছোট হাতের g
একটা c-ই, ch নয়
chh, C, Ch, CH, Chh, CHH, সবই চলে
বর্গীয় জ; J-ও চলে
Jh আর JH-ও চলে
বড় হাতের N-এর সঙ্গে বড় হাতের G
মূর্ধন্য ট; বড় হাতের T
মূর্ধন্য ঠ; TH-ও চলে
মূর্ধন্য ড; বড় হাতের D
মূর্ধন্য ঢ; DH-ও চলে
মূর্ধন্য ণ; বড় হাতের N
দন্ত্য ত; ছোট হাতের t
দন্ত্য থ
দন্ত্য দ; ছোট হাতের d
দন্ত্য ধ
দন্ত্য ন; ছোট হাতের n
f লিখলেও হয়
v লিখলেও হয়
অন্তঃস্থ য, গোটা অক্ষর; ফলা হলো y
তালব্য শ; S-ও চলে
মূর্ধন্য ষ; SH-ও চলে
দন্ত্য স
ড় ছোট হাতের r হলো র
ঢ় বড় হাতের R-এর সঙ্গে h
য় একা থাকলে য়; ব্যঞ্জনের পরে য-ফলা
ওয় একা থাকলে ওয়; ব্যঞ্জনের পরে ব-ফলা

সংক্ষেপ, আর বড় হাতের অক্ষর যা করে

কয়েকটা বর্ণে দ্বিতীয় একটা পথ আছে, কারণ মানুষ আসলে ওভাবেই লেখে। ph-এর জায়গায় f, bh-এর জায়গায় v, sh-এর জায়গায় S চলে।

বাক্যের প্রথম অক্ষর ফোন নিজে থেকেই বড় হাতের করে দেয়, তাই বড় হাতের নিজস্ব মানে নেই এমন অক্ষরগুলো ছোট হাতের মানেই ধরে নেয়। এগারোটি বড় হাতের অক্ষরের নিজস্ব মানে আছে। দুটোতেই মানুষ হোঁচট খায়: r মানে র, কিন্তু R মানে ড়। আর C হলো ch লেখার একটা রূপ, তাই Cabi দেয় ছাবি, চাবি নয়।

লিখুন পাবেন টীকা
ph-এর জায়গায়
bh-এর জায়গায়
sh-এর জায়গায়
kh-এর প্রথম অক্ষর বড় হাতের
kh পুরোটা বড় হাতের
chh পুরোটা বড় হাতের
য় y-এর মতোই, শুধু aY আলাদা, সেটি অ্যা
বিজ্ঞান ফোন প্রথম অক্ষর বড় করে দিলেও চলে: B পড়ে b হিসেবে
খেলা বড় হাতের K পড়ে k হিসেবে

ভেতরের অ, আর কখন o লিখতে হয়

o-র কাজ দুটো, আর তাতে গোল বাধে না। দুই ব্যঞ্জনের মাঝে বসলে সে তাদের আলাদা রাখে: kok দেয় কক, যেখানে kk দেয় ক্ক। যুক্তবর্ণের আগে বসলে সে আগের অক্ষরের ভেতরের স্বর।

ওখানে ও-কার চাইলে বড় হাতের অক্ষরটা দিন। kOk দেয় কোক।

লিখুন পাবেন টীকা
ক্ক পরপর দুই ব্যঞ্জন জুড়ে যুক্তবর্ণ
কক মাঝে ছোট হাতের o থাকলে আলাদা থাকে
কোক বড় হাতের O দেয় চোখে দেখা ও-কার
আমরা o না দিলে হতো আম্রা
নমস্কার n আর m-এর পরের o প্রতিটি অক্ষরকে আলাদা রাখে
ভক্ত যুক্তবর্ণের আগের o আলাদা করে না, ভেতরের স্বর দেয়
শক্তি একই ধরন

যুক্তবর্ণ

ব্যঞ্জনগুলো পরপর লিখুন, হসন্ত নিজে থেকেই ধরে নেওয়া হবে। তিন ব্যঞ্জনেও আলাদা কিছু লাগে না: ndr দেয় ন্দ্র।

দুই ব্যঞ্জনকে যে o আলাদা রাখে, যুক্তবর্ণ থামানোর কাজটাও তারই। ndor দেয় ন্দর, আর র দাঁড়ায় নিজের পায়ে।

লিখুন পাবেন টীকা
ক্ত সবচেয়ে চেনা যুক্তবর্ণ
ক্ষ k-এর সঙ্গে মূর্ধন্য Sh
ন্দ্র তিন ব্যঞ্জন পরপর জুড়ে যায়
ন্ত্র ntr দিলেও একই যুক্তবর্ণ; শেষে বন্ধ করার আর কিছু নেই
ছাত্র ত আর র মিলে ত্র
প্রশ্ন এক শব্দে দুটো যুক্তবর্ণ, প্র আর শ্ন
বন্ধু ন্ধ-র নিচে উ-কার
স্বাধীন sw দেয় স্ব; দীর্ঘ ঈ-কার বড় হাতের I-তে

য-ফলা আর ব-ফলা

ফলা দুটোর সংকেত y আর w, আর আগে ব্যঞ্জন থাকলে তবেই এরা ফলা হয়। ky দেয় ক্য, kw দেয় ক্ব। z আর b হলো গোটা অক্ষর য আর ব, নিজে থেকে এরা ফলা হয় না।

য-ফলা তার আগে যা আছে তার সঙ্গেই জুড়ে যায়, আর এতেই ধার করা শব্দগুলো ঠিকঠাক বসে। plYan দেয় প্ল্যান। চারটি বর্ণ একে নেয় না: r, R, Rh আর Ng

লিখুন পাবেন টীকা
ক্য ব্যঞ্জনের পরে y মানে য-ফলা
ক্ব ব্যঞ্জনের পরে w মানে ব-ফলা
য্য গোটা অক্ষর z-এর সঙ্গে য-ফলা
ব্ব গোটা অক্ষর b-এর সঙ্গে ব-ফলা
ম্ব m-এর সঙ্গে ব-ফলা
ম্ব্র তার পরে আরেকটা ব্যঞ্জন
স্বপ্ন sw দেয় স্ব, তারপর pn দেয় প্ন
জ্যামে jy দেয় জ্য, সঙ্গে আ-কার
প্ল্যান য-ফলা গোটা যুক্তবর্ণের সঙ্গেও বসে
ব্ল্যাক ধার করা শব্দেও একই
ফ্ল্যাট একই
কয z গোটা অক্ষর য-ই থাকে, যুক্তবর্ণ হয় না
কব b গোটা অক্ষর ব-ই থাকে

রেফ

ব্যঞ্জনের আগে জোড়া r লিখলে রেফ পড়ে, অক্ষরের মাথার উপরের ওই আঁকশি। rm দেয় রম, দুটো অক্ষর; rrm দেয় র্ম, একটা।

গোটা যুক্তবর্ণের মাথায়ও রেফ বসে, তাই rrkSh দেয় র্ক্ষ।

লিখুন পাবেন টীকা
র্ক ব্যঞ্জনের আগে জোড়া r মানে রেফ
র্ম ম-এর মাথায় রেফ
কর্ম ko-র পরে rr, তারপর mo
সর্ব একই গড়ন
র্ক্ষ গোটা যুক্তবর্ণের মাথায় রেফ
তূর্য ঊ-কার বড় হাতের U-তে, তারপর য-এর মাথায় রেফ
কিবোর্ড রেফের নিচে মূর্ধন্য ড

অনুস্বার, ঙ আর বাকি নাসিক্য বর্ণ

ng হলো অনুস্বার ং, আর এটাই বেশি লাগে। Ng হলো ব্যঞ্জন ঙ, তাই baNgali দেয় বাঙালি। ngg আর nggh হলো ঙ্গ আর ঙ্ঘ যুক্তবর্ণের সংক্ষেপ।

ওই সংক্ষেপ যেখানে চান না, সেখানে বড় হাতের M জোর করে অনুস্বার বসায়।

ঞ্জ কীভাবে লিখবেন সেটা জানতে এসে থাকলে: nj, কিংবা বর্ণ দুটো আলাদা করে লিখতে চাইলে NGj

লিখুন পাবেন টীকা
বাংলা ng মানে অনুস্বার ং
সংকেত ক-এর আগে অনুস্বার, ঙ নয়
অঙ্ক বড় হাতের N-এর সঙ্গে g মানে ব্যঞ্জন ঙ
বাঙালি এখানে অনুস্বার নয়, ঙ
বঙ্গ ngg হলো ঙ্গ-র সংক্ষেপ
ঙ্ঘাত nggh হলো ঙ্ঘ-র সংক্ষেপ
সংগ g-এর আগে বড় হাতের M জোর করে অনুস্বার বসায়
সংঘ gh-এর আগেও একই
ঞ্জ ঞ্জ যুক্তবর্ণ
ঞ্জ সেই একই যুক্তবর্ণ, বর্ণ ধরে ধরে
জিঞ্জিরা শব্দের ভেতরেও nj একইভাবে বসে

জ্ঞ

জ্ঞ লেখা হয় জ আর ঞ দিয়ে, পড়া হয় দুটোর কোনোটাই নয়, তাই ঢোকার পথ তিনটি, আর তিনটিই একই জায়গায় পৌঁছায়। বর্ণ দুটো আলাদা করে jNG, সংক্ষেপে jn, কিংবা মুখে যা বলি সেটাই, gg

লিখুন পাবেন টীকা
জ্ঞ বর্ণ দুটো ধরে ধরে, জ আর ঞ
জ্ঞ সংক্ষেপ
জ্ঞ উচ্চারণ ধরে সংক্ষেপ
জ্ঞান মুখে যেমন বলি, লিখলেও তেমন
বিজ্ঞান শব্দের ভেতরেও gg চলে

চন্দ্রবিন্দু আর বিসর্গ

^ লেখে চন্দ্রবিন্দু, আর সে বসে যে স্বরকে নাসিক্য করছে তার পরে। একই চিহ্নে পৌঁছানোর দ্বিতীয় পথ qq

: লেখে বিসর্গ। কোলনটা এভাবে দখল হয়ে যাওয়ায় ইঞ্জিনের ভেতর দিয়ে সাধারণ কোলন লেখার উপায় নেই।

লিখুন পাবেন টীকা
কাঁ ^ চিহ্নে চন্দ্রবিন্দু
বাঁকা চন্দ্রবিন্দু বসে স্বরের পরে
হাঁস আ-কারের পরেই ^
চাঁদ বড় হাতের A-ও আ-কার দেয়
কুঃ কোলনে বিসর্গ
দুঃখ উ-কারের পরে কোলন
চন্দ্রবিন্দুর আরেক সংকেত

বাংলা সংখ্যা, টাকার চিহ্ন আর দাঁড়ি

ইংরেজি অঙ্ক বাংলা সংখ্যা হয়ে যায়, আর ডলারের কি-তে পড়ে টাকার চিহ্ন।

ফুলস্টপ কোথায় বসেছে সেটা দেখে ইঞ্জিন নিজেই ঠিক করে নেয়: অঙ্কের মাঝে সে দশমিক বিন্দুই থাকে, বাক্যের শেষে হয়ে যায় দাঁড়ি। সংখ্যায় কার বসে না, যুক্তবর্ণও হয় না।

লিখুন পাবেন টীকা
০১২৩৪৫৬৭৮৯ ইংরেজি অঙ্ক বাংলা সংখ্যা হয়ে যায়
ডলারের কি-তে টাকার চিহ্ন
৳৫০০ টাকা আর সংখ্যা একসঙ্গে
আমি। বাক্যের শেষের ফুলস্টপ হয় দাঁড়ি
১২.৩৪ অঙ্কের মাঝে দশমিক বিন্দুই থাকে
১২.৩৪। শেষেরটা তবু দাঁড়ি

ইংরেজি বর্ণ আর ধার করা শব্দ

q আর x-এর নিজের কোনো বাংলা ধ্বনি নেই, তবু দুটোর একটাও লাতিন চেহারায় বেরিয়ে আসে না। বাংলা লেখা এতদিনে যে রীতিতে থিতু হয়েছে, দুটোই সেই রীতি ধরে।

একা থাকলে w হলো ওয়, আর এভাবেই waTar দেয় ওয়াটার। ধার করা বেশির ভাগ শব্দে যে অ্যা লাগে, সেটা aY: aYp দেয় অ্যাপ।

rZy সরু একটা সংকেত, কাজ একটাই। র‌্যাব-এর মতো বানানে ZWNJ দিয়ে আলাদা করা যে র‌্য লাগে, এটি সেটাই লেখে, সত্যিকারের যুক্তবর্ণ র্য থেকে যার চেহারা আলাদা। Z আর কিছুই বদলায় না; ইঞ্জিন থেকে লাতিন চেহারাতেই ফিরে আসা একমাত্র বর্ণও এটাই।

লিখুন পাবেন টীকা
q-এর নিজের বাংলা ধ্বনি নেই; থিতু হয় ক-তে
ইরাক শেষের q-ও ক
কাতার শুরুর q-ও ক
ক্স x মানে ক্স যুক্তবর্ণ
বক্স শব্দের শেষে x
ফিক্স f দেয় ফ, তারপর x
কক্সবাজার শব্দের মাঝে x
ওয় একা থাকলে ওয়; ব্যঞ্জনের পরে ব-ফলা
ওয়াটার শুরুতে w, মাঝে মূর্ধন্য T
অ্যাপ ধার করা শব্দের সেই অ্যা
র‌্যাব rZy লেখে আলাদা করা র‌্য, যুক্তবর্ণ র্য নয়

হসন্ত নিজে লেখা

দুটো কমা, ,, খালি হসন্ত লেখে। চিহ্নটা চোখে দেখতে চাইলে, কিংবা নিয়ম নিজে থেকে যেখানে ভাগ করত না সেখানে ভাগ চাইলে, এটা কাজে লাগে।

হসন্ত ভেতরের স্বরটাকে মেরে ফেলে, কাজেই মারার মতো একটা স্বর তার লাগে। কার বসানোর পরে আর সরানোর কিছু থাকে না, তাই সংকেতটা ফেলে দেওয়া হয়।

লিখুন পাবেন টীকা
two commas write a bare hasant
ক্ a dead consonant
ক্ক the same conjunct as kk, typed explicitly
ক্য the same as ky, typed explicitly
ন্দ্র্ a cluster ending in a visible hasant

খণ্ড ত

এটা হাতে লিখতে হবে খুব কমই, কারণ ts নিজেই বানিয়ে দেয়। আলাদা করে লেখার দরকার পড়ে শব্দের শেষে, যেখানে পরে কিছু নেই বলে আপনাআপনি হয় না: t লিখে তার পরে দুটো ব্যাকটিক।

লিখুন পাবেন টীকা
t-এর পরে দুটো ব্যাকটিক
বড় হাতের T-তেও হয়
উৎসব শব্দের ভেতরে ts নিজেই ৎ বানায়
বিদ্যুৎ শব্দের শেষে আলাদা করে লিখতে হয়
র্ৎ খণ্ড ত-এর মাথায় রেফ

লিখে দেখুন

আসল ইঞ্জিনটাই চলছে, আপনার ব্রাউজারে। এই পাতার নিয়ম ছাড়া সে আর কিছু মানে না: অটোকারেক্ট নেই, পরের শব্দের পরামর্শ নেই, আর আপনার লেখা কোথাও যাচ্ছে না।

ইঞ্জিনের নিজের খেলাঘর, যেখানে অটোকারেক্ট আর পরের শব্দের পরামর্শও যোগ হয়, আছে obadh.unmukto.org/playground-এ। এই পাতার কিছু যদি আপনাকে অপ্রত্যাশিত কোনো অক্ষর দেয়, রিপোর্টে কী থাকলে তা যাচাই করা যায় আছে অবদানের পাতায়।

জ্যোৎস্না

বাক্স যদি আপনার লেখা যেমন ছিল তেমনই ফেরত দেয়

বাক্স হয় গোটা লাইনটা বদলায়, নয়তো কিছুই বদলায় না। সে নেয় না এমন একটা অক্ষর থাকলেই পুরো লাইনটা আপনি যেমন লিখেছেন ঠিক তেমনই ফিরে আসে। সাধারণত এর কারণ সেইসব চিহ্ন, যেগুলো ফোন বা ওয়ার্ড প্রসেসর আপনার হয়ে বসিয়ে দেয়: এম ড্যাশ, এন ড্যাশ, কোঁকড়ানো উদ্ধৃতিচিহ্ন, আর এক অক্ষরের ইলিপসিস। সাধারণ ASCII যতিচিহ্নে কোনো সমস্যা নেই।

কিবোর্ডে লিখতে গিয়ে এর দেখা পাবেন না, কারণ কিবোর্ড এক শব্দ করে বসায় আর যতিচিহ্ন যায় আলাদাভাবে। এটা সামনে আসে উপরের বাক্সে, খেলাঘরে, আর কমান্ড লাইনের টুল ঘিরে লেখা যেকোনো স্ক্রিপ্টে।

অভ্র থেকে আসছেন যাঁরা

এই পাতা যাঁরা পড়ছেন, তাঁদের বেশির ভাগই বাংলা লেখা শিখেছেন অভ্র ফোনেটিকে, আর যা জানেন তার প্রায় সবটাই এখানে অবিকল কাজ করে। x ক্স, q ক, v ভ, f ফ, S শ, gg জ্ঞ, ng অনুস্বার, NG ঞ, $ টাকার চিহ্ন, ^ চন্দ্রবিন্দু, , হসন্ত, আর বাক্যের শেষের ফুলস্টপ দাঁড়ি। পাশাপাশি ব্যঞ্জন এখানেও জুড়ে যায়, o এখানেও ভেতরের স্বর লেখে, জোড়া r এখানেও রেফ। তালিকাটা লম্বা, কারণ এর বেশির ভাগ অভ্রই থিতু করে গেছে, আর অভ্র যা থিতু করেছে, বাংলা এখন ওভাবেই লেখা হয়।

যেখানে দুটো আলাদা, সেখানকার কারণ প্রতিবারই এক। নিয়মে বিকল্প যোগ হয় কেবল তখনই, যখন তার পিছনে ধ্বনিগত, বানানগত বা হাতের সুবিধার কারণ আছে, তাই প্রতিটা সংকেতকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয়। নিয়মটা ইঞ্জিনের README-তেই লেখা, আর এ কারণেই নিচের তালিকাটা ছোট।

দীর্ঘ স্বর বড় হাতের অক্ষরে, একই অক্ষর দুবার লিখে নয়। অভ্র ফোনেটিকে ee দেয় ঈ আর oo দেয় উ। অবাধ জোড়া স্বরকে দুটো স্বর হিসেবেই পড়ে। দৈর্ঘ্য থাকে বড় হাতের অক্ষরে, ঈ মানে I, ঊ মানে U। অভ্যাসগুলোর মধ্যে এটাই আগে বদলে নেওয়া ভালো, কারণ প্রথম বাক্যেই এটা হোঁচট খাওয়াবে।

দ্বিস্বরও বড় হাতের। OI দেয় ঐ, OU দেয় ঔ। ছোট হাতের oi পরপর দুটো স্বর, তাই boi দেয় বই আর bOI দেয় বৈ।

একা থাকলে w হলো ওয়। অবাধে একা w মানে ওয়, ধার করা শব্দে যেটাই দরকার: waTar দেয় ওয়াটার। অভ্র ফোনেটিকে একা w দেয় ও। ব্যঞ্জনের পরে দুটোই এক: kw অভ্রেও ক্ব, অবাধেও ক্ব।

খণ্ড ত-এর নিজের সংকেত আছে। শব্দের ভেতরে s-এর আগে t নিজেই সেটি বানিয়ে দেয়: utsob দেয় উৎসব। শব্দের শেষে, কিংবা অন্য যেখানে সেটি একা দাঁড়ায়, t লিখে তার পরে দুটো ব্যাকটিক: hoThat`` দেয় হঠাৎ।

অভ্র সম্পর্কে এখানে যা বলা হয়েছে তা পড়া হয়েছে OmicronLab-এর pyAvroPhonetic থেকে, ২০২৬ সালের আগস্টে। অভ্র ফোনেটিকের নিয়ম কোথাও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত নয়, তাই এখানে ওই নিয়মগুলোরই কথা বলা হচ্ছে, এই পদ্ধতি যত কিবোর্ড নিয়েছে তাদের সবার কথা নয়।

অবাধ অভ্রের সঙ্গে হুবহু মেলে না, মেলার দাবিও করে না। কোনো শব্দ যদি আপনি যা ভেবেছিলেন তার চেয়ে অন্য চেহারায় আসে, এই পাতাটাই তার রেফারেন্স, আর গোটা নিয়ম এক বসায় পড়ে ফেলার মতোই ছোট।