ব্যঞ্জনগুলো পরপর লিখে যান, অবাধ জুড়ে দেয়: kt দিলে ক্ত, ndr দিলে ন্দ্র, তিন ব্যঞ্জন মিলিয়েই।
দুটি ব্যঞ্জনকে আলাদা রাখতে চাইলে মাঝখানে একটা o দিন, kk হয় ক্ক আর kok হয় কক। রেফ বসাতে হলে যে অক্ষরের মাথায় সেটি চড়বে তার আগে দুটো r: rrk দিলে র্ক। যুক্তবর্ণ, রেফ আর ফলা, তিনটিরই পুরো তালিকা লেখার নিয়মের পাতায় আছে, সঙ্গে জ্ঞ লেখার তিনটি উপায়।
লিখে ফেলুন। aYp দিলে অ্যাপ, waTar দিলে ওয়াটার, box দিলে বক্স।
মানুষ বাস্তবে যেসব বানানে লেখেন, তার জন্য অটোকারেক্টের কাছে আছে 1,776টি ইংরেজি শব্দ, আর ধার করা শব্দ লেখার নিয়মের পাতায় নিজেই একটি আলাদা অংশ। যে ইংরেজি লাতিন বর্ণেই থাকার কথা, তার জন্য কিবোর্ড বদলে নিন, আধা-লেখা শব্দটি যেখানে ছিল সেখানেই থাকে।
কারণ আপনি যে শব্দটি লিখতে চেয়েছেন সেটি বদলে দেওয়া কিবোর্ডের দাম, বানান-ভুল ছেড়ে রাখা কিবোর্ডের চেয়ে বেশি।
সংশোধন আপনি তবু পান: আপনার লেখা শব্দের পাশেই পরামর্শের সারিতে থাকে, আর একটাতে ট্যাপ করলেই সেটি নেওয়া হয়ে গেল। চাইলে এমন করেও নিতে পারেন যাতে স্পেস চাপলেই সংশোধনটি বসে যায়; তখনো সেটি কেবল সেখানেই ঘটে, যেখানে আপনার লেখা শব্দটি হয় শব্দই নয়, নয়তো এমন দুর্লভ কিছু যাকে সংশোধনটি ব্যবহারে পঞ্চাশ গুণে ছাড়িয়ে যায়।
যাবে, মেসেজ, মেইল, নোট, ব্রাউজার, এডিটর, সিস্টেম যেখানেই কিবোর্ড আসতে দেয়।
অবাধ বসে সিস্টেমের ইনপুট মেথড হয়ে, ভেতরে ঢুকে লেখার মতো আলাদা কোনো অ্যাপ হয়ে নয়; কাজেই আগে কিছু খুলে নিতে হয় না, কোথাও থেকে কপি করে আনতেও হয় না। দুটি ব্যতিক্রম iOS-এর, অবাধের নয়: সুরক্ষিত ঘরে সব সময় সিস্টেমের কিবোর্ডই আসে, আর কোনো অ্যাপ চাইলে বাইরের কিবোর্ড একেবারেই নিতে না-ও পারে।